1. bplive24@gmail.com : admin2020 :

মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৪২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জের সামিউল ইসলাম শিহাব জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জয় মাধবপুরে রাস্তায় মালামাল রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা মাধবপুরে ডুবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার মাধবপুরে সাইফুল ইসলাম’র হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন নবীগঞ্জ পৌরসভার শহর সমন্বয়  কমিটি (‘টি.এল.সি.সি) এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে  বৈকুণ্ঠপুর চা বাগান কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে কুপিয়ে হত্যা মাধবপুরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: আট মাস পর ঘাতক স্বামী গ্রেফতার হবিগঞ্জে সুরমা অঞ্চলের আইজিপি কাপ কাবাডি সমাপ্ত নবীগঞ্জে কুশিয়ারা নদী থেকে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন 
আদালত প্রাঙ্গণে অঝোরে কাঁদলেন মুন্নার মা

আদালত প্রাঙ্গণে অঝোরে কাঁদলেন মুন্নার মা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা
মামলার আসামিরা আজ (২৮ নভেম্বর) সকালে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসে। রায় উপলক্ষে আদালত প্রাঙ্গণে আসামিপক্ষের পরিবারাও এসেছে। সকালে আদালত প্রাঙ্গণে অঝোরে কাঁদতে দেখা গেছে হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মুন্নার মা কুলসুমা আক্তার শেলিকে। এর আগে নিজের ছেলে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত নয় বলেও তিনি দাবি করেন। অথচ ঘটনার পরই পুলিশের হাতে আটক হন মুন্না। মুন্না এ মামলার ৯ নম্বর আসামি। মুন্না জেলার চুনারুঘাট উপজেলার ঘরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে আসামিরা। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরের দিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ। ওই বছরের ১৩ নভেম্বর ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ওয়াহেদুজ্জামান। গত বছর ১৫ সেপ্টেম্বর ২৫ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। মামলাটিতে ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। গত ১৪ মার্চ এ মামলায় কারাগারে থাকা ২২ আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। অপর তিন আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেনি। এরপর কয়েকজন আসামি নিজেদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্যও দেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর মামলায় কিছু ত্রুটি থাকায় রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি পুনরায় চার্জ গঠনের আবেদন করেন। ৮ সেপ্টেম্বর আদালত ২৫ আসামির বিরুদ্ধে পুনরায় চার্জ গঠন করেন। এরপর ১৪ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ শুনানিতে ২২ আসামি আবারও নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। আসামিরা হলেন- বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহতামিম ফুয়াদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকার ওরফে অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন ওরফে শান্ত, আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহা, উপ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, গ্রন্থ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইশতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, ছাত্রলীগ কর্মী মুনতাসির আল জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, মো. মুজাহিদুর রহমান, মো. মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, শামীম বিল্লাহ, মুয়াজ ওরফে আবু হুরায়রা, এএসএম নাজমুস সাদাত, আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম, এস এম মাহমুদ সেতু, মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মন্ডল ওরফে জিসান, এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম ও মুজতবা রাফিদ।

শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2020 bijoyerprotiddhoni
Developed BY ThemesBazar.Com