1. bplive24@gmail.com : admin2020 :

বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারদিকে পানি, জীবনের ঝুঁকি আসতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারদিকে পানি, জীবনের ঝুঁকি আসতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের

স্টাফ রিপোর্টার- আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেওয়ের উত্তর রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারদিকে বর্ষার পানি। তাই কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার কোন ব্যবস্হা নেই। এতে করে করোনা পরবর্তী সময়ে বিদ্যালয় সমূহ খুলে দেয়ার ঘোষনা দেয়া হলেও, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় চড়ে আসতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। যে কোন সময় দূর্ঘটনার আশংখায় অভিবাবকমহল।
 জানা যায়,
আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেওয়ের উত্তর রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির প্রথম কার্যক্রম শুরু হয়, বেঞ্চার স্কুল হিসেবে ১৯৮৮ ইং সনে। স্কুল প্রতিষ্টার শুরুতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা উত্তর রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ও প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানের বসতঘর সংলগ্ন খোলা জায়গাতে। পরবর্তীতে একটি চাপড়া ঘর তুলে দেন ওই মুক্তিযোদ্ধা। বেঞ্চার স্কুলগুলো রাজস্ব খাতে নিয়ে আসার পর প্রতিটি বেঞ্চার স্কুলের অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। এরই ধারাবাহিকতায়, বিগত
 ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে উত্তর রসুলপুর গ্রামের অদূরে নীচু জমিতে স্কুলের নতুন ভবন তৈরি করা হয়। করোনাকালীন সময়ে দীর্ঘ দেড় বছর ধরে বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকার কারণে বিষয়টি কারো নজরে আসেনি। নীচু জমিতে বিদ্যালয় ভবনটি নির্মাণ করায় চলতি বর্ষা মৌসুমে চারদিক পানিতে তলিয়ে যায়। বিদ্যালয়ের সহিত ওই গ্রামের দূরত্ব অনুমানিক ৯০ মিটার। নূতন ভবন নির্মাণকালীন সময়ে কোন সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য মাটিভরাট করে কোন মাঠও তৈরি করা হয়নি। এ ছাড়া শৌচাগারও নেই। বিশেষ করে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায়, শিক্ষার্থীদের নৌকায় চড়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হচ্ছে। আবার কোন সময় পারাপারের জন্য নৌকা না থাকলে বিদ্যালয়ে আসতে পারছে না তারা। যে কোন সময় দূর্ঘটনার আশংখায় অভিবাবকমহল।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মমতা রাণী দেবী জানান, স্কুলের ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ২৪২ জন, স্কুলে খেলার মাঠ ,টিউবওয়েল ও শৌচাগার নেই। রাস্তার ব্যাপারে একাধিকবার অবগত করেছি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। এই বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাহমুদুল হক বলেন, স্কুলের রাস্তার জন্য আমি উপজেলা সমন্বয় সভায় একাধিকবার দাবি জানিয়েছি।  কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা পরিষদ স্কুলের রাস্তাটি করেনি।এ ছাড়া প্রাথমিক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের রাস্তা করার কোন বরাদ্দ নেই।

শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2020 bijoyerprotiddhoni
Developed BY ThemesBazar.Com