1. bplive24@gmail.com : admin2020 :

সোমবার, ২৬ Jul ২০২১, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন

মাধবপুরে গঙ্গা জলের মাজারে প্রত্নতত্ত অধিদপ্তরের অনুসন্ধানের দাবী

মাধবপুরে গঙ্গা জলের মাজারে প্রত্নতত্ত অধিদপ্তরের অনুসন্ধানের দাবী

মুজাহিদ মসি,মাধবপুর(কমলপুর) থেকেঃ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর ও দেবীপুর গ্রাম ঘেষা  গঙ্গাজলের মাজার ও পাশের পুকুরের চারপাশে ঐতিহাসিক প্রাচীন জনপদ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আক্তার হোসেন বলেন,আমার বাড়ি মাজারের পাশে সেখানে একটি পুকুর খনন করতে গিয়ে অনেক পুরানো যুগের পাতিল বাসন হাড়ি পেয়েছি।এখানে অনেক আদিকালের জনপথ থাকলে থাকলেও থাকতে পারে।
আরো জানা যায়,মাজার সংগ্লন গঙ্গাজলের পুকুরেও অনেক আগের যুগের কলস,বাসন পিতল খাসা ব্রোঞ্জের জিনিসপত্র পাওয়া গেছে।
জনশ্রুতিতে গঙ্গাজল নামটি সনাতনীদের শুদ্ধতার প্রতীকও বটে।তবে সেখানে লোকজন স্নান করতো লোকসমাগম ছিল।নামটি আজও পাল্টায় নি।
ইতিহাস থেকে জানা যায় কোন এলাকায় কোন সভ্যতা বা জনপথের চরম বিকাশ হলে সেখানে দুঃশাসন নেমে আসে আর ধ্বংস হয় সে জনপথ।এখানে সেখানে ওলি-আওলিয়া  বা মুনি ঋষিদের আগমন ঘটে পথ দেখানোর জন্যে। এই মতে সেখানে প্রাচীন জনপদ থাকা অযুক্তিক কিছু নয়।

সম্বাব্য ১৯৩০ সালে কাছাকাছি গঙ্গা জলের মাজার খান্দুরার দরবেশ হিরা মিয়া(রহঃ)মোরাকাবা যোগে আবিষ্কার করেন।স্থানীয় মুরব্বী জনব আলী ও আব্দুল ওহাব জানান,দরবেশ হিরা মিয়া কমলপুরে তার খানকায় ঘুড়ায় চড়ে আসলে প্রায়ই তার ঘুড়ার পা ওই  খানে এসে ডেবে যেত পরে দিব্যজ্ঞানে ওই ওলির মাজারের স্থান সনাক্ত করেন এবং রক্ষনাবেক্ষন করতে বলেন।তার পর থেকে আইদুর আলী তার ছেলে আঃআলী বর্তমানে মফিজ ও আসাম উদ্দিন মাজারের খাদেম হিসেবে আছেন।
স্থানীয় সামজসেবক এবায়দুর রহমান বিলাল ও তানভীর আহমেদ সোহেল জানান,জায়গাটা অত্যন্ত রহস্যময়।আমরা পূর্ব পুরুষদের কাছে শুনেছি দরবেশ হিরা মিয়া(রহঃ) এই দরগা ধ্যানের মাধ্যমে বের করেছেন।এখানে সরকারের প্রত্নতত্ত অধিদপ্তরের অনুসন্ধান চালালে অনেক কিছু মিলতে পারে।

এদিকে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন প্রত্নতত্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নিকট অনুসন্ধানের জন্যে লিখিত  আবেদন জানিয়েছেন

শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2020 bijoyerprotiddhoni
Developed BY ThemesBazar.Com